পরিবর্তনের গল্প, অর্জনের ইতিবৃত্ত

Success Stories
৩ বছরের পথচলা

পরিবর্তনের গল্প,
অর্জনের ইতিবৃত্ত

গত তিন বছরে আমরা শুধু ত্রাণ দিইনি, আমরা মানুষের বিবেক জাগিয়েছি, অসহায় মুখে হাসি ফুটিয়েছি এবং একটি সুন্দর সমাজ গড়ার স্বপ্ন দেখেছি।

আমাদের গল্পের শুরু

২০২৩ সাল থেকে হিলফুল ফুজুল কল্যাণ পরিষদ এর যাত্রা শুরু। আমাদের লক্ষ্য ছিল কেবল দান-খয়রাত করা নয়, বরং মানুষের আত্মিক ও সামাজিক উন্নয়ন ঘটানো। সিলেটের ভয়াবহ বন্যা থেকে শুরু করে হাড় কাঁপানো শীতের রাত—সর্বদাই আমরা চেষ্টা করেছি মানুষের পাশে থাকার। তবে আমাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য এসেছে মানুষের হৃদয়ের পরিবর্তনে।

Islamic Gathering

আত্মশুদ্ধির ডাক

আমাদের সেরা সাফল্য

বিবেক জাগানিয়া সুর ও একটি ঋণমুক্তির গল্প

আমাদের আয়োজিত ইসলামী মাহফিলগুলো কেবল বক্তৃতার মঞ্চ ছিল না, ছিল আত্মশুদ্ধির এক বড় কারখানা। মাহফিলে হকের গুরুত্ব এবং পরকালের জবাবদিহিতা নিয়ে আলোচনা শুনে অনেকের হৃদয়ে কম্পন সৃষ্টি হয়।

আমাদের চোখের সামনেই ঘটে গেছে এক অভাবনীয় ঘটনা। মাহফিলের বয়ান শুনে উদ্বুদ্ধ হয়ে অনেক মানুষ তাদের দীর্ঘদিনের বকেয়া ঋণ পাওনাদারকে খুঁজে খুঁজে পরিশোধ করে দিয়েছেন। যারা একসময় নামাজের ধারের কাছেও যেতেন না, তারা আজ নিয়মিত নামাজী হয়ে মসজিদে যাচ্ছেন। সমাজের এই নীরব পরিবর্তনই আমাদের গত ৩ বছরের সবচেয়ে বড় অর্জন।

  • ঋণ ও পাওনা পরিশোধের সংস্কৃতি চালু
  • বেনামাজিদের মসজিদে প্রত্যাবর্তন
আগামীর প্রজন্ম

শিশুদের কলকাকলি ও মেধার লড়াই

মাহফিলকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর আমরা আয়োজন করি এক জাঁকজমকপূর্ণ ইসলামি কুইজ প্রতিযোগিতা এবং মক্তবের ছাত্রদের মেধা যাচাই। গ্রামের ছোট ছোট শিশুরা যখন কোরআনের আয়াত তিলাওয়াত করে কিংবা নবীর জীবনী নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দেয়, তখন এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা হয়।

পুরস্কার হাতে তাদের সেই হাসিমাখা মুখগুলো আমাদের সব ক্লান্তি ভুলিয়ে দেয়। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমরা আগামী দিনের জন্য একঝাঁক সৎ ও মেধাবী নাগরিক তৈরি করার স্বপ্ন বুনে যাচ্ছি।

ছবিগুলো দেখুন
Student Competition

পুরস্কার বিতরণী

মানবিক বিপর্যয়

সিলেটের বানভাসি মানুষ ও হাড় কাঁপানো শীত

সিলেটের বন্যার স্মৃতি

সিলেটের ভয়াবহ বন্যার কথা আমাদের সবার মনে আছে। চারদিকে শুধু পানি আর পানি। আমরা বসে থাকতে পারিনি। আমাদের স্বেচ্ছাসেবকরা দ্রুততার সাথে দুর্গম এলাকায় পৌঁছে দিয়েছে শুকনো খাবার, পানি ও জরুরি ঔষধ। সেই অসহায় মানুষগুলোর চোখের পানি মোছাতে পারাই ছিল আমাদের পরম পাওয়া।

শীতবস্ত্রের উষ্ণতা

প্রতি শীতে উত্তরের জনপদে যখন হাড় কাঁপানো ঠান্ডা নামে, তখন আমরা কম্বল আর গরম কাপড় নিয়ে ছুটে যাই। গত ৩ বছরে আমরা শত শত শীতার্ত মানুষের গায়ে উষ্ণতার চাদর জড়িয়ে দিতে পেরেছি। তাদের দু'হাত তুলে করা দোয়াই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার শক্তি।

এই সফলতার অংশীদার হোন আপনিও

আমাদের এই ৩ বছরের পথচলা সম্ভব হয়েছে আপনাদের মতো মহানুভব মানুষের সহযোগিতায়। আসুন, সামনের দিনগুলোতেও আমরা একসাথে মানবতার কল্যাণে কাজ করি।